যুক্তরাষ্ট্রে ১৯টি দেশের অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও সব ধরনের আবেদন স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আফগানিস্তান, মিয়ানমার, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেনসহ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ওপর নতুন অভিবাসন বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের নাম এই তালিকায় নেই।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই দেশগুলো সবই ইউরোপের বাইরে অবস্থিত। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকরা নতুন নীতিমালার প্রভাবে আরও কঠোর পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগান বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হামলায় একজন গার্ড নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া সোমালি অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর মন্তব্যও আলোচনায় এসেছে। তিনি তাদের ‘আবর্জনা’ উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমরা তাদের আমাদের দেশে চাই না।’
তালিকাভুক্ত দেশগুলো হলো– আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সব প্রক্রিয়াধীন আবেদন স্থগিত থাকবে এবং অভিবাসীদের সম্ভাব্য সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করা হবে।
এদিকে, নিউইয়র্ক সিটির আটজন অভিবাসনবিষয়ক বিচারককে একসঙ্গে চাকরিচ্যুত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদের মধ্যে আমিয়েনা এ খান ছিলেন চিফ ইমিগ্রেশন বিচারক। দেশব্যাপী ইমিগ্রেশন বেঞ্চের সংস্কারের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ