পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শনিবার রাতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন জানাচ্ছিলেন যে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, ঠিক সেই সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিয়ামিতে একটি মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।
ট্রাম্পের পাশে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তার কয়েকজন সন্তান, ইউএফসি কর্মকর্তারা, ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, গায়ক ভ্যানিলা আইস এবং পডকাস্টার জো রোগানসহ আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
জেডি ভ্যান্স যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, দুঃখজনক বিষয় হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি, তখন ট্রাম্প খাঁচার পাশে দাঁড়িয়ে একজন বিজয়ী মল্লযোদ্ধার হাইলাইট ভিডিও দেখছিলেন। তার মুখে ছিল এক ধরনের ম্লান হাসি, আর তিনি বিজয়ীদের দিকে থাম্বস আপ ইঙ্গিতও দেন।
ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক, এতে তার তেমন কিছু যায় আসে না। তার ভাষায়, যাই হোক আমরা জিতব। আমরা তাদের সামরিকভাবে পরাজিত করেছি।
তবে বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং তেলের দামও সাধারণ মানুষের ব্যয়ভার বাড়াচ্ছে—যা সমালোচকদের মতে ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া সংঘাতেরই পরোক্ষ ফল। ডেমোক্র্যাটরা ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের দাবি তুলেছেন এবং তার মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। একইসঙ্গে কিছু দীর্ঘদিনের সমর্থকও তার অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
এদিকে ট্রাম্পের পরিবারের সদস্যরা—ইভাঙ্কা, টিফানি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র—পুরো সন্ধ্যা তার সঙ্গেই ছিলেন। তবে জামাতা জ্যারেড কুশনার সেখানে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি তখন পাকিস্তানে জেডি ভ্যান্স ও উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছিলেন।
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ