এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২০৬০ টাকা নির্ধারণ

আবারও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে সরকার। ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজি গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর আগে গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করেছিল সরকার। এর মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে আজ আরও ২২৩ টাকা দাম বাড়ানো হলো।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নভেম্বর মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের চুক্তিমূল্য (সৌদি সিপি) বৃদ্ধির কারণে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নভেম্বর মাসের জন্য সৌদি আরামকো প্রোপেনের দাম প্রতি টন ৭২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৭৮০ ডলার নির্ধারণ করেছে। প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে প্রতি টন ৭৫৯ ডলার। এর সঙ্গে এলপিজি আমদানিতে জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম প্রতি টন ২৫০ ডলার এবং ডলারের বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ৪৬ পয়সা বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে সরকারি এলপিজির দামও পুনর্নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। এলপি গ্যাস পিএলসি সরবরাহকৃত ১২ দশমিক ৫০ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির তরল অবস্থায় প্রতি কেজির দাম মূসকসহ ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি লিটারের দাম ৩৬ পয়সা ৮৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ঘনমিটারের দাম ৩৬৮ টাকা ৫০ পয়সা। অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত মাসের শেষ দিকে এলপিজির বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক বাজারদর ঊর্ধ্বমুখী হলে আমদানিকারকরা সরবরাহ কমিয়ে দেন। এতে করে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি কোথাও কোথাও ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বেচাকেনা হতে থাকে।
