রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। হঠাৎ হওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে একাধিক এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ জন এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গাইবান্ধায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাংগা এবং ফুলছড়ি এলাকায় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে—সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ, তার চাচাতো ভাই শিশু রাফি এবং সাদুল্লাপুর উপজেলার আলী আকবর। অন্যদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে সুন্দরগঞ্জের দক্ষিণ ধোপাডাংগায় বৃষ্টির সময় বারান্দায় খেলছিল ফুয়াদ ও রাফি। হঠাৎ বজ্রপাতে তারা গুরুতর আহত হয়। পরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, সাদুল্লাপুরের কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হন মিজানুর রহমান নামে এক যুবক। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে আলী আকবর নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সাঘাটা ও ফুলছড়িতে আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, বগুড়া এবং পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতে আরও ৭ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ