সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

রাজধানী ছাড়ছেন পোশাক শ্রমিকরা, ছুটি ১০৮ কারখানার

রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-এর নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) থেকে কারখানাগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটি শুরু হয়। বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, এদিন ঢাকা ছাড়ছেন ১০৮টি কারখানার শ্রমিক, যা মোট কারখানার প্রায় ৬ শতাংশ।

আগামী ২৫ মে ছুটি পাবে ৬৬৪টি কারখানা, যা মোট কারখানার প্রায় ৩৭ শতাংশ। আর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ২৬ মে। ওইদিন ৭১৩টি কারখানার শ্রমিকরা ছুটিতে যাবেন, যা মোট কারখানার প্রায় ৪৩ শতাংশ।

এ ছাড়া ২৭ মে আরও ২৫১টি কারখানায় ছুটি শুরু হবে, যা প্রায় ১৪ শতাংশের সমান।

বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী জানান, সড়কে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এই রোস্টার তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ব্যবস্থার ফলে শ্রমিকরা নির্বিঘ্নে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন এবং ছুটি শেষে সময়মতো কর্মস্থলেও ফিরতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, অধিকাংশ কারখানায় ইতোমধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। কিছু কারখানায় এখনো বকেয়া থাকলেও আজ-কালের মধ্যেই তা পরিশোধ করা হবে। সরকারের প্রণোদনার অর্থ সময়মতো পাওয়ায় তুলনামূলক দুর্বল কারখানাগুলোও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জানা গেছে, অনেক কারখানা চলতি মে মাসের অগ্রিম বেতনও পরিশোধ করেছে। ফলে শ্রমিকরা অতিরিক্ত অর্থ সঙ্গে নিয়েই ঈদ উদযাপনের জন্য বাড়ি ফিরছেন।

এদিকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীর চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। রাজধানীর পাশাপাশি গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চল থেকেও বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।

শ্রমিকদের নিরাপদে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। একইসঙ্গে ঈদ শেষে শ্রমিকদের সময়মতো কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুতি নিচ্ছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এনএনবাংলা/পিএইচ