Skip to content

Upcoming
Norway
0-0
England
Source: ESPN

পঞ্চদশ সংশোধনীর আপিল খারিজ

সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা

ফাইল ছবি

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ আনা কয়েকটি পরিবর্তন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হলো।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জানান, পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত আপিল খারিজ করা হয়েছে এবং হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়েছে। পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে। এছাড়া মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের কাছেই থাকবে।

তিনি আরও জানান, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আনা অন্যান্য পরিবর্তনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় সংসদ।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মোট তিনটি আপিল করা হয়েছিল। এর মধ্যে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চারজন একটি আপিল করেন। নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন পৃথক একটি আপিল দায়ের করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও একটি আপিল করেন।

আজ আদালতে ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভুঁইয়া। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এবং মো. মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

উল্লেখ্য, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে। ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।

এনএনবাংলা/