The New Nation | Bangla Version Blog

ইসলামাবাদে শিয়া মসজিদে জুমার নামাজে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৩১, আহত ১৬৯

  পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জুমার নামাজের সময় একটি শিয়া ইমামবাড়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৬৯ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে...

সিআরএফ জরিপ: নির্বাচনে জামায়াতকে ভোট দিতে চান ৩৭.৪ শতাংশ তরুণ ভোটার

  আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দেশের ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে এক দেশব্যাপী জরিপে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলেছে, বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের...

জুলাই সনদ আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান

  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন,...

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ, যমুনা অভিমুখে পদযাত্রায় সংঘর্ষ

  ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে আরেকটি পোস্টে দাবি করা হয়, ডাকসু নেত্রী ফাতেমা তাসনিম...

আল-জাজিরার বিশ্লেষণ: জনমত জরিপে বিএনপির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে জামায়াত

  জীবনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ৪৫ বছর বয়সী ব্যাংকার আবদুর রাজ্জাক বিশ্বাস করছেন যে, তার সমর্থিত রাজনৈতিক দলটি একটি শাসক জোটের প্রধান দল হিসেবে ক্ষমতায় আসার প্রকৃত সুযোগ পেয়েছে। নিজের শহরে জামায়াতে...

কমলগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ

  কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের কালেঙ্গা বাজারে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৪...

নড়াইলে জামায়াত আমীরের আগমন উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

  নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোট নেতাদের আগমন উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের...

কুলাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল হক খানের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ-পিরিচ) ফজলুল হক খান সাহেদ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌর শহরের আলালপুর আত্তর খান হাফিজিয়া মাদ্রাসায় কুলাউড়ায় কর্মরত  সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ইশতেহার ঘোষণা করেন ফজলুল হক খান সাহেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আল-ইসলাহ’র  সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফজলুল হক খান সাহেদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আতিকুর রহমান আখই, পৌর আল-ইসলাহ’র সাবেক সভাপতি কাজী ফখরুল ইসলাম। ফজলুল হক খান সাহেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইতিপূর্বে কুলাউড়াবাসী আমাকে দুইবার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও একবার চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের সেবার সুযোগ দিয়েছেন। জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে কুলাউড়াবাসীর সমর্থন নিয়ে আগামী পাঁচ বছর কুলাউড়াবাসীর উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় জাতীয় সংসদে ভূমিকা রাখার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। কুলাউড়ার উন্নয়ন হতে হবে ইনসাফ, সুশাসন ও জবাবদিহিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি, ন্যায় ও বৈষম্যমুক্ত উন্নয়ন ছাড়া মানুষের আস্থা অর্জন এবং টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এই নির্বাচনী ইশতেহার নিছক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়; এটি কুলাউড়ার প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার। জনগণের অংশগ্রহণ ও নিয়মিত জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ কুলাউড়া গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: পিছিয়ে পড়া কুলাউড়া শহরের যানজট নিরসনে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং দূরপাল্লার গাড়িসমূহের জন্য শহরের বাইরে দিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবো। চা বাগান, পাহাড় ও হাকালুকি হাওর কেন্দ্রিক পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটন খাতে শক্তিশালী অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কুলাউড়া উপজেলা শহরের সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অবহেলিত রাস্তা পাকা করণ করা হবে।  কুলাউড়া রেলস্টেশন আধুনিকায়ন, প্রতিটি রেলে কুলাউড়ার জন্য আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও স্থানীয় লোকবল নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি সকল নাগরিকের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে ইনসাফ এবং ন্যায়ের কুলাউড়া প্রতিষ্ঠা করবো। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তথা কুলাউড়ার যুবসমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। স্বাস্থ্যসেবা : কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন ও ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণসহ ডাক্তার, কর্মচারী সংকটের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। কৃষি ও পরিবেশ: কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি জমিসমূহকে ব্যাপকভাবে বিএডিসির আধুনিক সেচ প্রকল্পের আওতায় এনে বোরো ধান এবং রবিশস্যের আবাদ বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবো। সকল সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত কৃষকরা পায় সেটি নিশ্চিত করা হবে। হাওরের ফসল উত্তোলনের সুবিধার্থে রাস্তা উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ। মনু ও ফানাই নদীসহ গুরুত্বপূর্ণ নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে নদী খনন ও নদীভাঙন রোধে ব্লক বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থান : তরুণদের যথাযথ কর্মসংস্থান নিশ্চিতে উপজেলার সকল গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন। প্রবাসে ইন্তেকালকারী রেমিটেন্স যোদ্ধার পরিবারকে সংসদ সদস্যের বিশেষ তহবিল থেকে সহায়তা, প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ এবং নানা বঞ্চনার বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের কণ্ঠস্বর হিসেবে কথা বলা। শিক্ষা, ক্রীড়া ও দক্ষতা উন্নয়ন: কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে উপজেলায় কারিগরি ইনস্টিটিউট/কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। স্টেডিয়াম  নির্মাণসহ সকল খেলার মাঠ উন্নয়নের আওতায়  আসবে। কুলাউড়ার তরুণ সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুসারে আইসিটিসহ বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়ন: এতিমখানা ও কওমি মাদরাসার অবকাঠামো উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ। খাসিয়া, মনিপুরী সহ চা-বাগানের বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন:  দুর্গম অঞ্চলে বসবাসরত খাসিয়া, মনিপুরী জনগোষ্ঠী এবং চা বাগানে বসবাসরত অবহেলিত জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ, চিকিৎসা, শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাদের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে। জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সংসদ সদস্যের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ:  সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর ‘এমপি-জনতা সংলাপ’  শিরোনামে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এতে জনগণ তাদের দাবি দাওয়া জানাতে এবং বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দের বাস্তবায়ন সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কুলাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতের মতবিনিময়

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার তাঁর নিজ জন্মভূমি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় আসছেন। আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলাউড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে জামায়াতে...

রংপুরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ২৩৫৬৭ জন

রংপুর ব্যুরো: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর জেলায় ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রথমবারের মতো ‘পোস্টাল ব্যালটে’ ভোট দেবেন ২৩ হাজার ৫৬৭ জন ভোটার। এর মধ্যে নিবন্ধন করা প্রবাসী, সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং...

সমৃদ্ধ মুরাদনগর গড়ে তুলতে ইসলামী অনুশাসন ব্যতীত সম্ভব নয়-মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম

, মুরাদনগর(কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে এবং একটি মানবিক ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গড়তে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। ইসলামী অনুশাসন ব্যতীত ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর...

কুলাউড়ায় ভোটারদের নজর কাড়ছেন একমাত্র নারী প্রার্থী সাদিয়া নোশিন

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারের চারটি আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে ভোটের মাঠে সরব রয়েছেন সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী। তিনি বাসদ (মার্কসবাদী) মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ‘কাঁচি’ প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এছাড়া প্রতিদিনই উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় তাঁর পক্ষে কর্মী, সমর্থকরা প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে উপজেলার সবক’টি চা-বাগানে স্বল্পসংখ্যক কর্মী-সমর্থক নিয়ে চা-শ্রমিকদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন সাদিয়া নোশিন। প্রচারণার সময় একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোটারদের নজর কাড়ছেন বলে  অনেক চা-শ্রমিক ভোটার জানান।  বাসদের পাশাপাশি যুক্তফ্রন্টের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও সরব প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁর ‘কাঁচি’ প্রতীকের জন্য সম্প্রতি কুলাউড়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তারা ভোট প্রার্থনা করেন। এর আগে সব শরিকদের নিয়ে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে কাঁচি মার্কার সমর্থনে সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরীর পক্ষে প্রখ্যাত জীনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর আহবানে আগামীকাল ৬ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়া ডাকবাংলো মাঠে নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে সাদিয়া নোশিনের বাড়িতে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত থেকে সাদিয়া নোশিনের ‘কাঁচি’ মার্কাকে সমর্থন দিয়ে বক্তব্য দিয়ে ভোট কামনা করেন জীনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী।  যুক্তফ্রন্টের শরিক সিপিবি মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি কমরেড খন্দকার লুৎফুর রহমান, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম শামীম, সিপিবি কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি আব্দুল লতিফ, হাওর রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব এম খসরু চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফোরকান উদ্দিন আহমদ (বীরপ্রতীক), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবাল, সিপিবি কুলাউড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাহবুব করীম মিন্টু, বাংলাদেশ জাসদ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার কায়ছুল, উদীচী কুলাউড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নির্মাল্য মিত্র সুমন, যুব ইউনিয়ন উপজেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা পাভেলসহ অনেকেই তাসনিম চৌধুরীর পক্ষে ভোটের মাঠে সক্রিয় থেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা এই নির্বাচনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টভুক্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও ‘কাঁচি’ মার্কার সমর্থক শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় এই নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দৃঢ় আশাবাদী মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণ এবার ‘কাঁচি’ মার্কায় সাড়া দেবে। সাদিয়া নোশিনের বাড়ি কুলাউড়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লস্করপুর এলাকায়। তাঁর বাবা সাদ লুৎফুর রাজ্জাক চৌধুরী ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মা আমিনা বেগম চৌধুরী নারী নেত্রী ও গৃহিণী। কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী নবীন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক সম্পন্ন করে সাদিয়া ভর্তি হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে সিলেট এমসি কলেজে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পর ২০১১ সালে তিনি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সিলেট এমসি কলেজ শাখার সদস্য হওয়ার মধ্যে দিয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে ওই কলেজ শাখার আহ্বায়ক, সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হন। পড়ালেখায়ও তিনি মেধাবী। ২০১৭ সালে এমসি কলেজ থেকে গণিতে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মনোনীত হওয়ার মধ্যে দিয়ে দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং দেশব্যাপী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করছেন। সার্বক্ষণিক রাজনীতির পাশাপাশি নিজের খরচের ব্যয় মেটানোর জন্য তিনি টিউশনি করেন। পরিবারে তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী এখনো বিয়ের পিড়িতে বসেননি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলাকার উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবেন জানতে চাইলে সাদিয়া নোশিন চৌধুরী বলেন,‘স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, সবার জন্য শিক্ষা, প্রান্তিক কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, মাদক-সন্ত্রাস-দুর্নীতি-সাম্প্রদায়িকতা ও নারী নির্যাতন বন্ধ, চা-শ্রমিকদের ভূমির অধিকার ও নুন্যতম দৈনিক মজুরি ৬০০ টাকা নির্ধারণসহ শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া মানুষদের দাবি আদায় ইত্যাদি আমার কাজে প্রাধান্য পাবে। আমি আমার নির্বাচনী এলাকার চা-শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার শ্রমিক, কৃষক, চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নারীদের সকলস্তরের জনগণের সমর্থন, পরামর্শ, সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।