সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে একদিন

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের ছুটির পর আপনি যদি শহরের বাইরে না যেতে পারেন, তবুও মনকে একদিনের জন্য প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সান্নিধ্যে ছুটি দিতে পারেন। ঢাকার ভেতরেই পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন) ঘুরতে পারেন।

শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে, সবুজের ছায়ায় ঘেরা এ দুটি স্থান ঈদের ছুটিকে আরও আনন্দময়, শিক্ষণীয় ও উপভোগ্য করে তুলতে পারে।

জাতীয় চিড়িয়াখানা

জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ছায়াঘেরা পথ, নানা জাতের পাখির ডাক আর শিশুদের উচ্ছ্বাস। প্রায় ১৮৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা চিড়িয়াখানায় রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রায় ১৩০ প্রজাতির দুই হাজারের বেশি প্রাণী। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, আফ্রিকান সিংহ, জিরাফ, কুমির, ভালুক, হরিণ, অজগর, কচ্ছপ থেকে শুরু করে রঙিন বিদেশি পাখি—সবই যেন এক ছাদের নিচে।

শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা খেলার স্থান, জলাশয়ে নৌকা বিহারের ব্যবস্থা এবং শিক্ষণীয় তথ্যসহ প্রতিটি খাঁচার পাশে পরিচিতি ফলক। এখানে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী আসেন প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে একদিন কাটাতে। ঈদের সময় দর্শনার্থীদের জন্য থাকে বাড়তি আয়োজন ও আনন্দঘন পরিবেশ। এখানে প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান

চিড়িয়াখানার পাশেই অবস্থিত জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান—যেটিকে অনেকে ‘ঢাকার ফুসফুস’ বলেও আখ্যা দেন। প্রায় ২০৫ একর বিস্তৃত এই বোটানিক্যাল গার্ডেন একদিকে যেমন সৌন্দর্যের আধার; অন্যদিকে তেমনই পরিবেশ-সচেতনতার এক জীবন্ত পাঠশালা। এখানে রয়েছে প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ওষুধি গাছ ও ফুলের সমারোহ।

ঘন সবুজ ছায়াঘেরা পথ ধরে হাঁটলে চোখে পড়বে বিরল প্রজাতির গাছগাছালি, পাখির কিচিরমিচির, বাতাসে দোল খাওয়া গাছের ডালপালা আর হালকা রোদ। যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি যেন একখণ্ড নিসর্গ। এখানকার প্রবেশমূল্য মাত্র ২০ টাকা।

তবে এই দুই স্থানই শিশুদের ঘোরার জন্য বেশি উপযোগী। তারা অনেক কিছু জানবে, শিখবে আর ঢাকার কোলাহল থেকে নিজেকে কিছুটা সতেজ রাখতে পারবে।

যেভাবে যাবেন

জাতীয় চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেনই ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে খুব সহজে যাওয়া যায়। বাস, সিএনজি বা রিকশায় যে কোনো সময় পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।

খাবার ও বিশ্রামের জন্য রয়েছে নানা ধরনের দোকান, রেস্টুরেন্ট এবং বসার জায়গা। চাইলে বাসায় রান্না করা খাবারও সঙ্গে নিয়ে পরিবারসহ উপভোগ করতে পারেন।