সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৯ বাংলাদেশি ফেরত, ২৬ জনই নোয়াখালীর

 

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ সামরিক ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাঁদের পরিবহন সহ প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৬ জনই নোয়াখালীর। এছাড়া কুমিল্লা, সিলেট, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের দুজন করে এবং চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীর একজন করে রয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরেই যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, ফিরিয়ে আনা ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জন বিএমইটি ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিল গিয়েছিলেন। সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। বাকিদের মধ্যে দুজন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে এবং তিনজন দক্ষিণ আফ্রিকা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান। পরে আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হলে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন— “একেকজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা খরচ করে শূন্য হাতে ফিরলেন—এর দায় কার? যে এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছে এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ব্রাজিলে নতুন শ্রমিক পাঠানোর আগে সরকারকে আরও সতর্ক হতে হবে।

ফেরত আসা বাংলাদেশি ও বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, পূর্বের কয়েক দফা অভিযানে প্রত্যাবাসিতদের হাতকড়া ও পায়ে শেকল পরানো হলেও এবার কেউকে শারীরিকভাবে বেঁধে পাঠানো হয়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে দেশটি আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে একাধিক দফায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চলতি বছরের ৮ জুন চার্টার্ড ফ্লাইটে ৪২ বাংলাদেশি ফেরত আসেন। তার আগে মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৪ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের শুরু থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ফেরত আসা বাংলাদেশির সংখ্যা ২২০ ছাড়িয়েছে।

মার্কিন আইনে বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের আদালত বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। সম্প্রতি এ প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ায় সামরিক ও চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবহার বেড়েছে।

এনএনবাংলা/