সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্য প্রেসিডেন্টসহ ১৩ জনকে দায়ী করল আদালত

অনলাইন ডেস্ক :

অর্থনৈতিক সঙ্কটে দেউলিয়া হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কা। দেশটির এমন পরিস্থিতির জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট গোটাবায়ে রাজাপাকসে, তার ভাই মাহিন্দাসহ ১৩ সাবেক নেতাকে দায়ী করেছেন শ্রীলঙ্কার শীর্ষ আদালত। রায়ে আদালত বলেছেন, ‘তাদের কর্ম ও আচরণ সঙ্কটের জন্ম দিয়েছিল।’ খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, দ্বীপ দেশটি ২০২২ সালে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে। ওই সময় তাদের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার। বছরটিতে তীব্র অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে দেশজুড়ে খাদ্যপণ্য, জ্বালানি ও ওষুধের দাম আকাশচুম্বি হয়। এর জেরে শুরু হয় নাগরিক অসন্তোষ, যার পরিণতি গিয়ে ঠেকে সে সময়কার প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসের পতনের মাধ্যমে। আন্দোলনের মুখে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হন রাজাপাকসে।

তবে, ওই বছরের সেপ্টেম্বরে নিজ দেশে ফেরেন তিনি। এর আগে রাজাপাকসের দল সমর্থিত নতুন সরকার বেলআউটের ঋণের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। বিবিসি জানিয়েছে, গত মঙ্গলবারের রায়ে দায়ী কোনো জরিমানা করা হয়নি। তবে, পিটিশনকারীদের আইনি ফি দেওয়ার জন্য আদালত বলেছেন। এর মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দেওয়ার দরজা খুলে গেছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দুর্নীতি পর্যবেক্ষক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শ্রীলঙ্কা এবং অধিকার কর্মীরা সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছিল। বিভক্ত এই রায়টি শীর্ষ আদালতে বিচারকদের একটি প্যানেল দিয়েছে।

রায়ে চারজন বিচারক এর পক্ষে ও একজন বিপক্ষে ছিলেন। সাবেক রাজনৈতিক নেতারা অর্থনীতির ভুল ব্যবস্থাপনায় শ্রীলঙ্কানদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে বলে একমত পোষণ করেন চারজন বিচারক।