Skip to content

ইম্পেরিয়াল ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অনুষ্ঠিত

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালে অনুষ্ঠিত ‘ইম্পেরিয়াল ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দ্য নিউ নেশনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আরশাদ হোসেন-এর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

রাজধানীর ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে মর্যাদাপূর্ণ ‘ইম্পেরিয়াল ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। ফটোসাংবাদিকতা শিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সেলিব্রেশন কাউন্সিল।

শুক্রবার সন্ধ্যার এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসের মহামান্য রাষ্ট্রদূত শ্রী ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী এবং দ্য নিউ নেশনের ম্যানেজিং এডিটর ও ক্রীড়ালোক সম্পাদক আরশাদ হোসেন।

অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব জনাব কাদের গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মহসিন। এছাড়া ন্যাশনাল ফোরাম অব ফটো জার্নালিস্ট নেপালের সভাপতি প্রদীপ রাজ অন্তার নেতৃত্বে ১০ জনের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ২৭ জন বাংলাদেশি ফটোসাংবাদিককে পুরস্কার প্রদানের পাশাপাশি নেপালের ১০ জন ফটোসাংবাদিককেও সম্মানিত করা হয়। রয়টার্সের প্রবীণ ফটোসাংবাদিক রফিকুর রহমানকে তাঁর ৫৭ বছরের অসামান্য অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

রাজধানীর ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালে (শুক্রবার, ১ মে) আইএইচআই ফটো জার্নালিস্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ ও নেপালের ৩৭ জন ফটো সাংবাদিককে সংবর্ধনা প্রদান করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারজানা শারমীন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান সুমনকে ধন্যবাদ জানান এবং এই উদ্যোগকে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব বলে অভিহিত করেন। তিনি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরশাদ হোসেন দ্য নিউ নেশন ও ক্রীড়ালোকের পক্ষ থেকে ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘ফটোসাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়; এটি একটি দায়িত্ব। প্রতিটি ফ্রেমে ধরা পড়ে আশা, সংগ্রাম, উৎসব, আনন্দ-বেদনার গল্প। আমাদের ফটোসাংবাদিকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন কিংবা জাতীয় গৌরবের মুহূর্তগুলো তুলে ধরতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।’

সম্মাননা প্রদানের পর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজন। ফটো সাংবাদিকদের কাজের মূল্যায়ন ও উৎসাহ দিতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। দেশ-বিদেশের অতিথিদের পদচারণায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

এনএনবাংলা/