সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হকারদের জন্য ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ার পরিকল্পনা ডিএনসিসির

 

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হকারদের জন্য ছয়টি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এসব স্থানে নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের বসানো হবে এবং নির্ধারিত ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলশান-এর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ পরিকল্পনার কথা জানান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। সভাটির আয়োজন করে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আগে একটি ফুটপাতে যেখানে প্রায় ২০০ হকার বসতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে পৌঁছেছে। এর ফলে জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তার ভাষায়, মাত্র দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতে কোনো স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি থাকবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিন ব্যবসা শেষে সেগুলো সরিয়ে নিতে হবে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয় তার বেশিরভাগই সাময়িক। টেকসই সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এছাড়া সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন রাজউক-এর চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম, স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান এবং ঢাকা ওয়াসা-এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ।

এনএনবাংলা/পিএইচ