সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

অন্যতম দর্শনীয় স্থান মহামায়া লেক

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ মহামায়া, ছবি:

অনলাইন ডেস্ক:

দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার কৃত্রিম মহামায়া হ্রদ। মহামায়া ইকোপার্ক ও ঝরনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভ্রমণপিপাসুরা প্রতিদিন ভিড় জমান। কাপ্তাই লেকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ মহামায়া। ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনবিশিষ্ট লেকটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে মিরসরাই উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ঠাকুরদিঘি বাজার থেকে দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৭-২০০৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। ২০০৯ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। হ্রদটি তৈরি করতে ৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমি ব্যবহার করা হয়। এর পেছনে প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।

অন্যতম দর্শনীয় স্থান মহামায়া লেকমহামায়া লেক ঘুরে দেখা গেছে, পাহাড়ের পাদদেশে আঁকাবাঁকা লেকটি যেন অপার সৃষ্টি। ছোট-বড় কয়েকটি পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত এ লেকের অন্যতম আকর্ষণ ঝরনা। লেকের ভেতরে আছে পানি পরিমাপ করার রেগুলেট বা ব্রিজ। যেখানে দাঁড়িয়ে পর্যটকেরা সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। নীলাভ জলরাশিতে ডিঙি নৌকা কিংবা ইঞ্জিনচালিত বোট নিয়ে হারিয়ে যেতে পারেন অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে। নৌকার প্রতিটির ভাড়া ওঠানামা করে ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে।

অন্যতম দর্শনীয় স্থান মহামায়া লেকবন্ধু-বান্ধব ও পরিবার-পরিজন নিয়ে কলকল ধ্বনিতে মুখর লেকে নৌভ্রমণ ভীষণ আনন্দদায়ক। চারপাশে পাহাড়ের বুক চিরে ছুটে চলা যে কোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে। গোধূলিলগ্নে সূর্য যখন অন্তিম নীলিমায় ডুবে যায়; তখন লেকের পরিবেশ মোহনীয় হয়ে ওঠে। পিকনিকের জন্য মহামায়া লেক দারুণ একটি জায়গা। এখানে আছে পিকনিকের সেট। রান্না করেও খেতে পারবেন। অনেকে বিস্তীর্ণ ভূমিতে ফুটবল কিংবা ক্রিকেট খেলায় মেতে ওঠেন। শিশুদের জন্য আছে খেলার জায়গা। প্রায় সারাবছরই পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকে।

অন্যতম দর্শনীয় স্থান মহামায়া লেকঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ব্যক্তি বলেন, ‘প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে প্রচুর পর্যটক আসেন। তাদের কথা চিন্তা করে মহামায়াকে ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। তবে এবার একটু ভাটা পড়েছে। অন্য বছর এমন শীত মৌসুমে পর্যটকদের ঢল নামে। এখনো আশানুরূপ পর্যটক আসেনি। মহামায়া লেক অন্যতম দর্শনীয় স্থান।’

দেশের যে কোনো স্থান থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঠাকুরদিঘি এলাকায় নামতে হবে। নেমেই দেখবেন স্পটের নাম লেখা সাইনবোর্ড। সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে স্পটের একদম গেট পর্যন্ত চলে যেতে পারেন। আপনি যদি হাঁটতে পছন্দ করেন তাহলে ১০ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন স্পটের গেটে। তারপর টিকিট কেটে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে।