Skip to content

যে প্রত্যাশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটা পেয়েছি: রামিসার বাবা

ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় দেওয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রামিসার বাবা বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, রায়ে আমি শতভাগ খুশি। আমার মনের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই রায়ে পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমি আশাবাদী যে রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহর রহমত এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত বিচার পেয়েছি।”

বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য বিচারক, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক এবং দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, “আমার ও আমার পরিবারের দুঃসময়ে যারা মানসিকভাবে পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। এখন আমি চাই, আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হোক।”

আদালতের রায়ে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুও। তিনি বলেন, “রামিসার পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।”

অন্যদিকে, আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহও রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আসামি সোহেল রানা জবানবন্দিতে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছিলেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনেও দোষ স্বীকার করেন।

মুসা কালিমূল্যাহ বলেন, “সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা হয়েছে। অপরাধী তার অপরাধের বিচার পেয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র আমাকে আসামিপক্ষে নিয়োগ দিয়েছে। রাষ্ট্র যদি চায়, তাহলে আপিল করা হবে।”

এনএনবাংলা/পিএইচ