সাম্প্রতিক
Skip to content

মালদ্বীপে ১০ দিনে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপে গত দশদিনে ‘আত্মহত্যা’, দুর্ঘটনাসহ স্ট্রোক করে আটজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। 

জীবিকার তাগিদে প্রতিবছর হাজারো বাংলাদেশি পাড়ি জমান মালদ্বীপে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু উদ্বেগের নতুন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মস্থলের দুর্ঘটনা, স্ট্রোক, আত্মহত্যা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত জটিলতায় আটজন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।

মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী গত ২৫ জুলাই থেকে ৩ আগস্টের মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে যারা মারা গেছেন, তাদের বয়স ছিল ২১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। মৃত্যুর কারণগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা এবং কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মৃতদের মধ্যে চারজন স্ট্রোকে, একজন বয়স্ক ব্যক্তি হৃদ্রোগে, দুজন কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনায় এবং একজন আত্মহত্যা করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মালদ্বীপে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা মনে করেন, পরিবার থেকে দূরে থাকার মানসিক চাপ এবং আর্থিক কষ্টের কারণেই স্ট্রোক ও হৃদ্রোগজনিত মৃত্যুর হার বেশি।

নিহতদের মধ্যে রবিউল ইসলাম রোশন (২৩) গত ২৫ জুলাই কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মারা যান। ২৭ জুলাই হুমায়ুন কবির (৪৫) এবং ২৮ জুলাই মকবুল মিয়া (৪৭) স্ট্রোক করে মারা যান। ৩০ জুলাই শেখ ফরিদ (৪৫) ডায়াবেটিসজনিত কারণে স্ট্রোক করে মারা যান। ১ আগস্ট কাজ করার সময় ভুলবশত বিষাক্ত রাসায়নিক তরল থিনার খেয়ে ফেলা সুলাইমান মাতাব্বারের (২১) মৃত্যু হয়। একই দিন স্ট্রোক করে মারা যান সৈয়দ মোল্লা (৪৪)। ১ আগস্ট বদিউর রহমান (৩৭) এবং ৩ আগস্ট দেলওয়ারা নবী (৭০) হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব মুত্তাসিম বিল্লাহ বলেন, পাঁচজনের মরদেহ ইতোমধ্যে দেশে পাঠানো হয়েছে। বাকি মরদেহও দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে তিনি মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

 

 

এনএনবাংলা/এফএস