সাম্প্রতিক
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার পাকিস্তান সফর কবে যাবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ সৌদি-হুতি সংঘাত: রিয়াদে যাচ্ছেন পাকিস্তান-তুরস্কের সেনাপ্রধান, যুদ্ধের প্রস্তুতি? চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘প্রত্যাখ্যান’, রোববার থেকে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ মৃত্যু অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: লিগ্যাল অফিসার পদটির কাজ কী? চীনের প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে কী খাওয়ালেন ট্রাম্প, অতিথি ছিলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার মহারথীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় কী আছে
Skip to content

হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু আজ

ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। এই কর্মসূচি চলবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। 

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী বাদ পড়া ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহায়তায় গত এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত প্রথম দফার ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জন ছিল ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ।

তবে পরবর্তী সময়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচির সময় দেখা যায়, প্রায় ৪৩ লাখ শিশু টিকাদানের বাইরে রয়ে গেছে। এর পর মপ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আরও ১৯ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়। বর্তমানে আরও ২৪ লাখ শিশু টিকার বাইরে রয়েছে এবং গত তিন মাসে নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করেছে এমন আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার মোট ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগে টিকার বাইরে থাকা ২৪ লাখ শিশু এবং গত তিন মাসে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা প্রায় ১০ লাখ শিশু রয়েছে।

এ কার্যক্রম শেষে নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা শিশুদের জন্য মপ-আপ টিকাদান কার্যক্রম চালু থাকবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা এ কর্মসূচিতে যুক্ত থাকবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, দরিদ্র পরিবারে হাম হলে আইসোলেশনে রাখা কঠিন, কারণ তাদের ছোট এক ঘরেই পুরো পরিবারকে থাকতে হয়। তবে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনলে হাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানিয়েছেন তারা।

শিশু চিকিৎসকদের মতে, টিকদান ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর একপর্যায়ে হামের সংক্রমণ কমে এসেছিল। পরে আবার বেড়েছে। এমতাবস্থায় টিকা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এনএনবাংলা/এফএস