খুলনায় তাঁতি দল নেতা হত্যা মামলার ৫ আসামির ১ জন গ্রেফতার
খুলনা নগরীর রায়েরমহল এলাকায় সৈয়দ হুমায়ুন কবির নামে এক তাঁতী দল নেতাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদ এলাকায় হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সময় তিনি নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আল-ক্যান্টিনো’ নামক রেস্টুরেন্টে’ অবস্থান করছিলেন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল রোববার রাতে নিহতের পুত্র সৈয়দ নুর আমিন সৌহার্দ্য বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামি শেখ সিদ্দিক (৫৩) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।
নিহত হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি ওই এলাকার সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি সিদ্দিককে রাতেই গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া মূল অভিযুক্ত আরাফাতসহ অন্যদেরও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত শেখ সিদ্দিক রায়েরমহল পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত শেখ ইদ্রিস আলী ওরফে ইদিল ফকিরের পুত্র।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ৪ থেকে ৫ জন দুষ্কৃতিকারী (তাদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা ছিল) দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইজি বাইকে এসে হুমায়ুন কবিরের নিজ প্রতিষ্ঠান ‘আল-ক্যান্টিনো’ নামক রেস্টুরেন্টে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার ঘটনায় জড়িতরা হচ্ছে- মইন, আরাফাত, ফায়েক ও বায়েজিদ। তারা সবাই রায়ের মহল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্ত আরাফাতের দোকান থেকে ক্রয়কৃত ফ্রিজের কিস্তির টাকা সময়মতো পরিশোধ না করায় ঘটনার আগে নিহত হুমায়ুন কবির এবং আরাফাত ও ফায়েকের মধ্যে তর্ক বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এরপরই তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হুমায়ুন কবিরকে আঘাত করে। তাৎক্ষণিক তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এনএনবাংলা/এফএস
