সাম্প্রতিক
Skip to content

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃ’ত্যু, হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর

ফাইল ছবি: নিউ নেশন অনলাইন

দেশে ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে তিন শিশু। এ ছাড়া ডেঙ্গু ও হাম-উপসর্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ও আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু ও হামবিষয়ক পৃথক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন এবং খুলনা বিভাগে একজন রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫২ জনে। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরেই মারা গেছেন ১৮১ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭৪ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৫৫০ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৯৫ জন, খুলনায় ২২১ জন, বরিশালে ২১৩ জন, রাজশাহীতে ১৪৮ জন, ময়মনসিংহে ৮৩ জন, রংপুরে ৬৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৯৬ জনের শরীরে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৬৭ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭২ জনে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ৩০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৪ জন।

এনএনবাংলা/