Skip to content

Upcoming
Germany
0-0
Curaçao
Source: ESPN

সব বাধা ভেঙে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: পি আই ডি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী অধিকারের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার নির্দেশিত পথ ধরে ছোটবড় সব সামাজিক বাধা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আপনি একবার এই অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে যেতে পারলে আর কোনো বাধা থাকবে না। আর আমাদের ইসলামে মেয়েদের সমান অধিকার অধিকার দেয়া হয়েছে (পুরুষ ও মহিলাদের জন্য)। তারপরও আমাদের দেশে এ ধরনের বাধা আসে এবং আসবে। কিন্তু আমাদের এই বাধাগুলো অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম রোকেয়া দিবস ও রোকেয়া পদক-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি তার সরকারি ভাবসবন গণবভন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

উপমহাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪১তম জন্ম ও ৮৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বেগম রোকেয়াকে নারীদের আদর্শ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি সামাজিক অচলাবস্থা (নারীদের জন্য) ভেঙে শিক্ষার আলো না জ্বালালে আমরা আজ এতদূর এগোতে পারতাম না। তিনি আমাদের পথ দেখিয়েছেন। তিনি আমাদের আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বেগম রোকেয়ার স্বপ্ন অনেকাংশে পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি পীড়া দেয় তা হল নারীর প্রতি সহিংসতা। সরকার ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করলেও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে পুরুষদের মানসিকতার পরিবর্তন অপরিহার্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে এবং আমাদের মনে পরিবর্তন আনতে হবে। এখানে বিশ্বাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে নারীরা শুধু উপভোগের বস্তু নয়, নারীরা সহযোদ্ধা, সহযাত্রী এবং তাদের সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং সমান অধিকার দিতে হবে।’

নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারীকে মর্যাদাপূর্ণ বেগম রোকেয়া পদক দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন, অধ্যাপক হাসিনা জাকারিয়া বেলা, অর্চনা বিশ্বাস, শামসুন্নাহার রহমান পরান (মরণোত্তর), ড. জিনাত হুদা ও ড. সারিয়া সুলতানা।

—ইউএনবি