Skip to content

Upcoming
Qatar
0-0
Switzerland
Source: ESPN

বুস্টারসহ সোয়া ২৫ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১২ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার ৯৪৮ জনকে প্রথম ডোজ, ১১ কোটি ৪২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৬ জনকে দ্বিতীয় ডোজসহ সর্বমোট ২৫ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজার ৯৭ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদের মধ্যে এক কোটি ৮১ হাজার ১৯৩ ডোজ বুস্টার। বুধবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-২ আসনের সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবের এ কথা বলেন তিনি। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর পরপরই সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বিনামূল্যে টিকাদানের বিষয়টি আমার সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ লক্ষ্যে করোনা টিকা আবিষ্কার ও ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার আগে থেকেই আমরা টিকা সংগ্রহ ও প্রদানের বিষয়ে সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। তারই ফলস্বরূপ দেশব্যাপী গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি বিনামূল্যে কোভিড টিকা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয় এবং অদ্যাবধি চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত (৪ এপ্রিল) সরকার বহিঃবিশ্ব থেকে ২৯ কোটি ৬৪ লাখ ৮৪ হাজার ১২০ ডোজ টিকা সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ, বাংলাদেশের সুপারিশ ও করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে দেশব্যাপী গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে বুস্টার ডোজ প্রদান শুরু করা হয়। বর্তমানে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের পর যাদের চার মাস অতিক্রান্ত হয়েছে তাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত (৪ এপ্রিল) মোট এক কোটি ৮১ হাজার ১৯৩ জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনস্বার্থ বিবেচনায় জনগণকে কোভিড-১৯ অতিমারি থেকে সুরক্ষা প্রদান, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা এবং অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা সংগ্রহের প্রচেষ্টা নেয়। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে টিকা উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করে বিশ্ববাজারে প্রচলিত দরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। তবে টিকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট থাকায় টিকার মূল্য বা এ-সংক্রান্ত ব্যয় প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।