সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

বাজেট পেশ ৯ জুন, প্রস্তুতি নিতে সংসদকে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগ সরকারের আরও একটি বাজেট অধিবেশনে বসতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ। আসছে ৯ জুন নতুন অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব সংসদের সামনে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এজন্য জাতীয় সংসদ সচিবায়লকে প্রস্তুতি নিতে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিমূলক কাজও শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সংসদের আইন শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারি সচিব শওকত আকবর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাজেট পেশের দুই বা তিন আগে অধিবেশন শুরু হয় এ ক্ষেত্রে তাই হবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধান অনুয়ায়ী বাজেট অধিবেশন আহ্বান করবেন। প্রস্তাবিত বাজেট ৩০ জুনের মধ্যে পাস করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গতবছর মহামারির করোনার মধ্যে ৩ জুন চলতি অর্থবছরের জন্য বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আগের দিন ২ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট হবে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের চতুর্থ বাজেট এবং আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তিন মেয়াদের ১৪তম বাজেট। জানা যায়, আগামী বাজেট কেমন হবে তা নিয়ে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মতামত জানতে মাসব্যাপী প্রাক-বাজেট আলোচনার আয়োজন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আলোচনা হয় বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের চেম্বারের নেতাদের সঙ্গেও। গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু হয়, শেষ হয় গত ২০ মার্চ। প্রায় শতাধিক ব্যবাসায়ী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা প্রাক-বাজেট আলোচনায় উপস্থিত হয়ে তাদের দাবি-দাওয়া পেশ করেন। ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল- করপোরেট করের হার কমানো, দ্রব্যমূল্যে ঊধ্বগতি ঠেকানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার নূন্যতম কর তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা, আয়কর ও মূসকের আওতা বাড়ানো, সব রপ্তানি খাতকে সমান সুবিধা দেওয়া, বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তি জোরদার করা, টার্নওভার কর ফিরিয়ে আনা, ভ্যাট আইন সংশোধন করে বাস্তবসম্মত করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর ছাড়।