Skip to content

Upcoming
Brazil
0-0
Morocco
Source: ESPN

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে গেলো শাবিপ্রবি

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট :
বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এক হাজার ৪৭৬তম অবস্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে, বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে শাবিপ্রবির অবস্থান ছিল এক হাজার ৮১৫তম। এছাড়াও বাংলাদেশের সেরা ৫০টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রথম স্থানে রয়েছে শাবিপ্রবি।
সম্প্রতি বিশ্বের দুই শতাধিকেরও বেশি দেশের ৩১ হাজার উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং-২০২২ সালের দ্বিতীয় সংস্করণের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবমেট্রিক্স।
এই প্রতিবেদন অনুযায়ী- দেশের সেরা ৫০ পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১ম স্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ১৪৬৮), ২য় স্থানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ১৪৭৬), ৩য় স্থানে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ১৪৮৩), ৪র্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ১৫৯৩), ৫ম নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ১৭৫০), ৬ষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২১৪৬), ৭ম ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২২১৮ ), ৮ম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৩১৯), ৯ম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৪৮১) এবং ১০ম ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৪৮১) রয়েছে।
শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে শিক্ষা-গবেষনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় অনেকদূর এগিয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দেশের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে থাকতে। এ জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা গবেষণা বাজেটও আগের থেকে অনেক বেড়েছে। এখন গবেষণা বাজেট ৮কোটি রয়েছে, সামনে ১০কোটি টাকা করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, গত বছরে আমরা ৭০০ আর্টিকেল প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে ৯০% আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণার জায়গাটা আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে। আগামীতে আরো বেশি আর্টিকেল প্রকাশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ওয়েবমেট্রিক্স নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এ র‌্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে। এই র‌্যাংকিং তৈরিতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রভাব, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা, সাম্প্রদায়িক সন্নিবেশ অর্থাৎ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত ভূমিকা বিবেচনা করে ওয়েবমেট্রিক্স।