সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

১০-২০ কোটি টাকা না থাকলে নির্বাচন করা কঠিন: আসিফ মাহমুদ

 

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিপুল অর্থ ছাড়া নির্বাচন করা প্রায় অসম্ভব বলে মন্তব্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের।

দেশের বর্তমান বাস্তবতায় অন্তত ১০ থেকে ২০ কোটি টাকা না থাকলে কোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রায় অসম্ভব— এমন কথা বলেছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘নভেম্বর থেকে জুলাই: বিপ্লব থেকে বিপ্লবে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “২০ কোটি টাকা না থাকলে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় অন্তত ১০-২০ কোটি টাকা না থাকলে নির্বাচনে নামা কঠিন। এই অবস্থায় যাদের কাছে কালো টাকা আছে, তারাই সুবিধা পায় নির্বাচনে অংশগ্রহণে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো প্রার্থী ব্যবসায়ী বা অন্য কারও কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্বাচন করেন, তাহলে নির্বাচিত হয়ে তাকেই তাদের স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে হয়। অর্থাৎ নির্বাচনী রাজনীতিতে টাকার প্রভাব এখন স্পষ্ট ও গভীর।”

উপদেষ্টা বলেন, “আমরাও বারবার ভাবি— নির্বাচন করব নাকি করব না। কারণ বিদ্যমান কাঠামোয় টাকা ছাড়া নির্বাচনে জয় পাওয়া কতটা বাস্তবসম্মত, সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। অনেকে জোহরান মামদানির উদাহরণ দেন, কিন্তু সেটা ব্যতিক্রমী ঘটনা; ৩০০ আসনে এমনটা সম্ভব নয়।”

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো বৈধতা নেই। গণ-অভ্যুত্থানের পর গণসার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মাণ করতে হবে।”

এনএনবাংলা/