সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মামলাটিতে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়—

১) ১৪ জুলাই গণভবনের সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান;

২) আন্দোলনকারীদের নির্মূল করতে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ;

৩) রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ;

৪) রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ;

৫) আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার নির্দেশ।

শুরুতে মামলার একমাত্র আসামি ছিলেন শেখ হাসিনা। পরে ১৬ মার্চ সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে এবং ১২ মে তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আসামির তালিকায় যুক্ত করা হয়।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে। একই দিন সাবেক আইজিপি মামুন ‘অ্যাপ্রুভার’ হওয়ার আবেদন করেন এবং পরে তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

ছাত্র–জনতার টানা আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যান, যার মাধ্যমে প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান হয়।

মামলার তিন আসামির মধ্যে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন একমাত্র গ্রেফতার অবস্থায় রয়েছেন। অন্য দুইজন—শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল—পলাতক এবং বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

পলাতক থাকায় তাদের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার। তিনি জানান, আইনে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হবে বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হতে হবে।