Skip to content

Upcoming
Portugal
0-0
Uzbekistan
Source: ESPN

চাইনিজ গভার্নমেন্ট স্কলারশিপ: বাংলাদেশে তিন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রমোশনাল সেমিনার

চীন–বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতাকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে ক্রীড়া প্রশিক্ষণের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে দেশের প্রথম তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে অনুষ্ঠিত হলো চাইনিজ গভার্নমেন্ট স্কলারশিপ (সি জি এস টাইপ–এ) নিয়ে পৃথক তিনটি প্রমোশনাল সেমিনার।

এসব সেমিনারে বক্তারা বলেন, চীনের এই পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বৃত্তি শুধু উচ্চশিক্ষার দুয়ারই খুলে দেয় না—দুই দেশের শতবর্ষী বন্ধুত্বের সেতুতেও যুক্ত করে নতুন বন্ধন।

শিক্ষা ও সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায় এই উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মত দেন তারা। এরমধ্যে উদ্বোধনী সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয় বিকেএসপিতে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘চীনের বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষার্থীদের সামনে অনন্য সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে। সিজিএসটাইপ–এ বৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির এক অসাধারণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিকেএসপি এবং চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রীড়া বিজ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রমে যে সহযোগিতা চলছে, এই বৃত্তি সেই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

সেমিনারে মূল বক্তা ছিলেন সিজিএসটাইপ–এ–এর অফিশিয়াল প্রমোশনাল পার্টনার মালিশাএডু’র সিইও ড. মারুফ মোল্লা।

তিনি জানান, চাইনিজ গভার্নমেন্ট স্কলারশিপ হলো চীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি সম্পূর্ণ ফুল ফান্ডেন্ট আন্তর্জাতিক বৃত্তি। টিউশন ফি ছাড়াও রয়েছে বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন, মাসিক স্টাইপেন্ড (বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ৪২,০০০–৫৯,০০০), রিটার্ন এয়ার টিকিট এবং সম্পূর্ণ মেডিকেল ইন্সুরেন্স।

তিনি আরও বলেন, চীনা ভাষা না জানলেও শিক্ষার্থীরা সহজেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। মাস্টার্স ও পিএইচডি—উভয় স্তরেই রয়েছে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ। বিকেএসপির বাইরে ইউআইটিএস ও ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজেও অনুষ্ঠিত হয় সিজিএসটাইপ–এ নিয়ে বিশেষ সেমিনার।

দুই প্রতিষ্ঠানের নীতি–নির্ধারকরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করেন আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা অন্বেষণে।

দুটি সেমিনারেই কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। এসময় আবেদনযোগ্যতা, ভাষাগত প্রয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, বিষয়ভিত্তিক সুযোগ—এসব নিয়ে প্রশ্ন করেন তারা এবং তাৎক্ষণিকভাবে দ্বিধা–দ্বন্দ্ব দূর করতে সক্ষম হন।

‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নতুন আস্থা’ সেমিনারের আয়োজকরা মনে করছেন—চীনের সাথে শিক্ষা সহযোগিতার এ উদ্যোগ নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বৃত্তি এখন এক অনিবার্য সম্ভাবনা।

তাদের বিশ্বাস, সিজিএসটাইপ–এ স্কলারশিপের মাধ্যমে চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।