সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পির নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে : ডিবি

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ উসমান হাদিকে পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও উত্তর সিটির সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার পর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, হত্যার ঘটনায় জড়িত তাজুল ইসলাম চৌধুরী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং উত্তর সিটির সাবেক কাউন্সিলর।

ডিবি প্রধান আরও বলেন, পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও উত্তর সিটির সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশেই হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যার কারণ হিসেবে তিনি জানান, হাদি কার্যক্রম নিষিদ্ধ অবস্থান গ্রহণ করায় এবং আওয়ামী লীগের বিরোধী অবস্থান নিয়েছিল।

শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদও রয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। চার্জশিটে থাকা ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন।

অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিওবার্তা সম্পর্কেও শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ভিডিওবার্তা দিতে পারেন, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় দুই যুবক মোটরসাইকেলে এসে শরিফ উসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্তে হাদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এনএনবাংলা/পিএইচ