সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাকিবুল হত্যার বিচার চেয়ে ফার্মগেট অবরোধ, বাস ভাঙচুর

 

সহপাঠী সাকিবুল হত্যার বিচার নিশ্চিত ও জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজধানীর ফার্মগেট মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধ চলাকালে একটি বিআরটিসি বাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা চেয়ার-টেবিল ও বিভিন্ন ব্যারিকেড ব্যবহার করে ফার্মগেট মোড়ের সড়ক আটকে রাখেন। পুলিশ সদস্যরা বারবার তাদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা অনড় অবস্থান বজায় রাখেন। মাঝেমধ্যে সীমিত পরিসরে কিছু যান চলাচলের চেষ্টা হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়ে গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন কিংবা সড়কের ওপর বসে পড়েন। একপর্যায়ে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসার চেষ্টা করা হয়।

অবরোধ চলাকালে মিরপুরগামী বিআরটিসির একটি দ্বিতল বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। বাসটির চালক রেজাউল করিম জানান, তাকে বাসটি সামনে এগিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। তিনি সামান্য এগোতেই হঠাৎ করে বাসে ভাঙচুর শুরু হয়। এতে আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে যান। বাস ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী সাজিদ বলেন, সাকিব হত্যাকাণ্ডের এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও জানান তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের পুলিশবিরোধী নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়।

এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। বর্তমানে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা।

এনএনবাংলা/পিএইচ