সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে হত্যা: ডিবি

 

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের জন্য সক্রিয় রয়েছে ৮ থেকে ৯টি সিন্ডিকেট। এসব সিন্ডিকেটের মধ্যে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই পরিকল্পিতভাবে মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

ডিবির প্রধান আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা সময়ভেদে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।’

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যতম প্রধান শুটার মো. রহিমকে শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় রহিমের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১২ রাউন্ড গুলি।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি এ মামলার আরও চার আসামি—জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানায়, রহিম ও জিন্নাত সরাসরি গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারের পর এক আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যেখানে ‘দাদা’ বা বিনাশের নির্দেশনার বিষয়টি উঠে আসে। বর্তমানে বিনাশ দেশের বাইরে থাকলেও তার নাম ব্যবহার করে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিবির প্রধান বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের ৮-৯টি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট অচিরেই ভেঙে দেওয়া হবে। খুব শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে।’ তিনি আরও জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং গত এক মাসে ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ