সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর গ্রেপ্তার

 

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত ২৭ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আজ আসামি মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে এবং আলামত নষ্ট বা সাক্ষীদের প্রভাবিত করার আশঙ্কায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে দুদক।

মামলার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— সাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, অ্যারনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, সাবেক উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. ইউনুস ভূঁইয়া।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রচলিত ক্রয়বিধি ও সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট আসামিরা। পছন্দের ঠিকাদারকে সুবিধা দিতে স্থানীয় এজেন্ট অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে প্রকল্প থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এনএনবাংলা/পিএইচ