সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের দায়-ঋণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা : টিআইবি

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি এ তথ্য তুলে ধরে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের দায়-দেনার পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। দশম সংসদে তা বেড়ে হয় ৩ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। একাদশ সংসদে ঋণ দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা এবং দ্বাদশ সংসদে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বেড়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্যই কোনো না কোনোভাবে দায় বা ঋণগ্রস্ত। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে ৬২ দশমিক ০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে ১৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ সদস্য ঋণগ্রস্ত।

সংসদভিত্তিক তুলনায় ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার নবম সংসদে ছিল ৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬ দশমিক ০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ। ত্রয়োদশ সংসদে এ হার কিছুটা কমে ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

আয়ের তথ্য বিশ্লেষণে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে ৬৭ দশমিক ৩৪ শতাংশের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। এর মধ্যে ৪৮ জন সদস্য বছরে এক কোটি টাকারও বেশি আয় করেন।

এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়েও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। অংশ নেওয়া প্রায় ৯৯ শতাংশ প্রার্থী কোনো না কোনোভাবে আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন বলে জানিয়েছে টিআইবি। অনিয়মের মধ্যে ছিল—মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যবিহীন প্রচারসামগ্রী ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল ও শো-ডাউন, মশাল মিছিল, পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, এমনকি প্রতিপক্ষের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা বা নষ্ট করার ঘটনাও।

টিআইবির দাবি, আচরণবিধির মোট ৫৮টি বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মধ্যে লঙ্ঘনের প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী—প্রায় সব পক্ষের মধ্যেই এ ধরনের অনিয়ম দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এনএনবাংলা/পিএইচ