ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করে।
সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্র, ধারালো সরঞ্জাম এবং ইট-পাটকেল ব্যবহার করা হয়। এতে গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ওবায়দুর নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গোপীনাথপুর গ্রামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর পক্ষের সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন লিটন মাতুব্বরের লোকজনের মধ্যে দুই দিন আগে চা খাওয়া নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে রাতে প্রথম দফা সংঘর্ষ ঘটে।
তিনি আরও জানান, সেই বিরোধের জের ধরে ঈদের দিন সকালে নামাজ শেষে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার এবং এক নারীকে নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ বাঁধে।
সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ