সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক: প্রধানমন্ত্রী

 

রাষ্ট্র ও সমাজে শুধু আইনের শাসন থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া জেলা আদালতে ‘ই-বেইলবন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামিন পাওয়ার পরও দাপ্তরিক জটিলতার কারণে কারামুক্তিতে বিলম্ব হওয়াকে ন্যায়বিচার বলা যায় কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে জামিননামা হাতে পেতে কয়েকদিন সময় লাগে। এর ফলে কারামুক্তি বিলম্বিত হয়। এটি আইনের শাসনের অংশ হলেও প্রকৃত অর্থে তা ন্যায়বিচার কি না—সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আইনের দোহাই দিয়েই রাতে আদালত বসিয়ে ভিন্ন মতের মানুষের ওপর অবিচার করা হয়েছিল। সেসব ঘটনাকে কখনোই ন্যায়বিচার বলা যায় না; বরং আইনের আড়ালে অবিচারই চালানো হয়েছিল। প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যায়পরায়ণ বিচারকের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমানো এবং জামিন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ই-বেইলবন্ড’ বা ইলেকট্রনিক জামিননামা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বগুড়ার পাশাপাশি ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া জেলাতেও এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নতুন এই ব্যবস্থার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, একজন বিচারক অনলাইনের মাধ্যমে জামিন আদেশ সরাসরি কারা প্রশাসনের কাছে পাঠাতে পারবেন। ফলে কারা প্রশাসন দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় হয়রানি কমবে এবং দুর্নীতির পথও অনেকাংশে বন্ধ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিচার বিভাগকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমান সরকার ই-বেইলবন্ড সিস্টেমকে পুলিশের সিডিএমএস (ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম), আদালতের কেস ম্যাজিস্ট্রেট সিস্টেম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিচার ব্যবস্থার পুরো প্রক্রিয়াকে ধীরে ধীরে কম্পিউটারাইজড করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ