সাম্প্রতিক
দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢাকায় বাড়ছে লোডশেডিং, দিনে-রাতে একাধিকবার যাচ্ছে বিদ্যুৎ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে দামের বাইরে নতুন চার্জ দিতে হবে বাংলাদেশকে গুদামের দরজা ভেঙে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা নিয়ে গেল ২০২ বস্তা সার ইয়াবা সেবন দেখে ফেলা ও বাধা দেওয়ায় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন: পুলিশ ২০২৪-কে চূড়ান্ত লড়াই ভাববেন না, এটি ছিল মহড়া: জামায়াত আমির এল নিনোর প্রভাব, ২০২৭ সালে পড়তে পারে রেকর্ডভাঙা গরম সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রুপার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক হুমকির খবরে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
Skip to content

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন রোধ ও কাজের অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন রোধ এবং নদী তীর সংরক্ষণ কাজে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে স্থানীয়দের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর, রসুলপুর, হিন্দুপাড়া ও মাঝিপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত এক বছরে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দুই শতাধিক বসতবাড়ি, অসংখ্য কৃষিজমি, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ ও মন্দির নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

তারা আরও জানান, বর্তমানে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি, বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শত শত বিঘা কৃষিজমি নদীভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান বেলাল মাস্টার, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, শিক্ষক নুর-ই-এলাহি, ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।

বক্তারা অভিযোগ করেন, নদীভাঙন রোধে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যে জিও ব্যাগ ফেলছে, সেখানে নানা অনিয়ম হচ্ছে। নিম্নমানের কাজ ও তদারকির অভাবে ভাঙন রোধ কার্যকর হচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা। দ্রুত এসব অনিয়ম তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

এসময় তারা বলেন, দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা না হলে পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনদুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।