Skip to content

Upcoming
United States
0-0
Australia
Source: ESPN

এবার নিজ নামে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের

ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী বিদ্যালয়টির নতুন নাম হতে পারে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ, বগুড়া’। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত গত ৯ জুনের এক চিঠিতে এ সংক্রান্ত তথ্য উঠে আসে। চিঠির স্মারক নম্বর ৩৭.০০.০০০০.০০০.০৭২.৪৪.০০০৩.২৫.৯৮।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ইআইআইএন: ১১৯৮৪২)-এর নাম পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৩ জুলাই ২০২৩ জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ (সংশোধিত-২০২৩)’-এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুযায়ী নাম পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে নাম পরিবর্তনের যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং স্থানীয় জনমতের প্রতিফলনসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও সুস্পষ্ট সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান এবং বগুড়ার জেলা প্রশাসককে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাদের তদন্ত, মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতেই বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির নামের সঙ্গে ‘মীর শাহে আলম’ নাম যুক্ত করার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ নাম পরিবর্তনের পক্ষে মত দিলেও অন্য পক্ষ দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নাম অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানিয়েছেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জনমনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এনএনবাংলা/