



সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তিনি ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া এবং ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফর করবেন। এ সফরে চীনের সঙ্গে দুটি চুক্তি, ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং মোট ১৭টি সম্মতিপত্র স্বাক্ষরের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার সঙ্গে দুটি সমঝোতা স্মারকসহ পাঁচটি সম্মতিপত্র সই হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
তিনি বলেন, চীন সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব জানান, দেশটির শ্রমবাজারে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মীর প্রবেশ সহজ করার বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে মালয়েশিয়ার নিজস্ব পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আলোচনায় স্থান পাবে। একই সঙ্গে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন জানাতে মালয়েশিয়ার প্রতি অনুরোধ করা হবে।
তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও রাজার সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীসহ মোট ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৬ জুন তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এনএনবাংলা/পিএইচ
Tags: তারেক রহমানপ্রধানমন্ত্রীমালয়েশিয়া ও চীন সফর
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন