সাম্প্রতিক
Skip to content

সার পাচার ও কালোবাজারি রোধে জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশ বিসিআইসির

কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরিয়া সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)। একই সঙ্গে সারের অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং সীমান্ত দিয়ে সার পাচার রোধে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সারের বাজার মনিটরিং জোরদার এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সময়মতো সার পৌঁছাতে বিসিআইসি নিরবচ্ছিন্নভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে। তবে সম্প্রতি দেশের কিছু এলাকায় ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মজুদ, বেশি দামে বিক্রি এবং সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের অপচেষ্টার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের অপতৎপরতা অব্যাহত থাকলে কৃষকদের মাঝে সারের প্রাপ্যতা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় সম্পদের অপচয় ঘটতে পারে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সীমান্তবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ জেলার সব ডিলার ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিবিড় নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে যেকোনো অনিয়ম কঠোরহস্তে দমনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম নজরে এলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বিসিআইসি আশা প্রকাশ করেছে, জেলা প্রশাসনের কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগে সারের সুষম সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং কৃষকরা নির্ধারিত মূল্যে সহজে সার সংগ্রহ করতে পারবেন।

এনএনবাংলা/এনজেড