সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

মহাসড়ক আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি সড়ক মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মহাসড়ক আইন ২০২১-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নির্মাণ, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সময়োপযোগী করা এবং যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই আইনের মূল উদ্দেশ্য। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, অনুমোদন ছাড়া সড়কে বাজার, মার্কেট বা যেকোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদ- বা ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দ-ে দ-িত করার বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনের অধীনে সরকারি বা বেসরকারি ইউটিলিটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমতি ছাড়া রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে পারবে না। করলে তারাও একই শাস্তির মুখোমুখি হবে। সচিব জানান, প্রস্তাবিত আইনে আরও বলা হয়েছেÑ নির্দিষ্ট লেন ছাড়া রাস্তায় ধীর গতির গাড়ি চালালে কিংবা নূন্যতম গতি তুলতে সক্ষম নয় এমন গাড়ি চালালে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আইনের মাধ্যমে সড়ক মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে বিধি অনুসরণ করে টোল আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। তবে সব সড়কের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বিধি অনুযায়ী টোল নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিতে হবে। পিপিপি’র মাধ্যমে যেসব প্রকল্প হবে, সেগুলোতে টোল আদায় করা যাবে। সেতু বিভাগ সেই টোল নির্ধারণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ব্রিফিংয়ে বলেন, আইনটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা বৈঠক। আইনটি পাস হওয়ার পর ১৯২৫ সালের এ-সংক্রান্ত আইনটি বিলুপ্ত হবে।