Skip to content

Upcoming
United States
0-0
Australia
Source: ESPN

সৌদি ছাড়লেন হেন্ডারসন

অনলাইন ডেস্ক :

গুঞ্জন যেভাবে ডালপালা মেলছিল, তাতে ব্যাপারটি অবশ্যম্ভাবী বলেই মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত হলোও তা-ই। স্রেফ ৬ মাসেই শেষ হলো জর্ডান হেন্ডারসনের সৌদি আরব অভিযান। আল-ইত্তিফাক ছেড়ে নেদারল্যান্ডসের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আয়াক্স আমস্টারডামে যোগ দিলেন ৩৩ বছর বয়সী ইংলিশ মিডফিল্ডার। লিভারপুলে এক যুগ কাটিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলে গত জুলাইয়ে আল-ইত্তিফাকে নাম লেখান হেন্ডারসন। সেখানে কোচ হিসেবে পান তিনি লিভারপুলের কিংবদন্তি স্টিভেন জেরার্ডকে। সৌদি ক্লাবটির সঙ্গে তার তিন বছরের চুক্তি ছিল। তবে কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যায়, এখনই সৌদি ফুটবল ছাড়তে চান তিনি। ক্রমে সেসব গুঞ্জন তীব্র হতেই থাকে। অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো সব পক্ষ থেকেই। ক্লাব পরিবর্তনের কারণ সুনির্দিষ্টি করে না বলেও সামাজিক মাধ্যমে হেন্ডারসনের কথায় ইঙ্গিত, পারিবারিক ভাবনা এখানে ভূমিকা রাখতে পারে।

“খুবই দুঃখ নিয়ে জানাচ্ছি যে, এই মুহূর্ত থেকেই আল ইত্তিফাক ছেড়ে যাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি খুব সহজ ছিল না, তবে আমার মনে হয়েছে, নিজের জন্য ও আমার পরিবারের জন্য এটিই সেরা পদক্ষেপ।” “গত ৬ মানে আমার পাশে থাকার জন্য ক্লাব ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। একদম প্রথম দিন থেকেই ভালোবাসার উষ্ণতা অনুভব করেছি এখানে। আমি তাদের খেলা দেখব ও সাফল্য প্রত্যাশা করে যাব। ভবিষ্যতের জন্য শুভ কামনা।” আল-ইত্তিফাক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেন্ডারসনের সঙ্গে সম্পর্কে সম্মান করে পারস্পরিক সমঝোতায় তারা তাকে ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে।

আয়াক্সও বিবৃতিতে জানিয়েছে, আড়াই বছরের চুক্তিতে হেন্ডারসনের যোগ দেওয়ার খবর। তার সৌদি আরবে পাড়ি জমানো নিয়ে তুমুল সমালোচনা ছিল ইংলিশ ফুটবলে। লিভারপুলে তিনি দীর্ঘদিন খেলেছেন তো বটেই, ক্লাবের অধিনায়কও ছিলেন লম্বা সময়। ৬টি ভিন্ন শিরোপাজয়ী প্রথম লিভারপুল অধিনায়কও তিনিই। তবে মূল সমালোচনা ছিল অন্য কারণে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এলজবিটি সম্প্রদায়ের সমর্থনে উচ্চকিত একজন। কিন্তু সৌদি আরবে সমকামিতা নিষিদ্ধ। গত অক্টোবরে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ইংলিশ দর্শকরা তাকে ‘দুয়ো’ দেয় এই কারণেই। আল ইত্তিফাকে মোট ১৭টি ম্যাচ খেলতে পেরেছেন হেন্ডারসন। গোলের দেখা পাননি। জেরার্ডের কোচিংয়ে ক্লাবটি এখন সৌদি লিগের পয়েন্ট তালিকায় আছে অষ্টম স্থানে। হেন্ডারসনের নতুন ক্লাব আয়াক্সও খুব ভালো অবস্থায় নেই আপাতত। ডাচ লিগের রেকর্ড ৩৬ বারের চ্যাম্পিয়ন দলটি আপাতত লিগের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে আছে শীর্ষে থাকা দলের চেয়ে ২৩ পয়েন্ট পেছনে থেকে। ২০০৬ সালের পর আয়াক্স কখনোই শীর্ষ তিনের বাইরে থাকেনি।