Skip to content

Upcoming
Bosnia-Herzegovina
0-0
Qatar
Source: ESPN

তিস্ত নদী থেকে  ১০,০০০ সিএফটি ঢালাই পাথর জব্দ করেছে বিজিবি

রংপুর ব্যুরো:

রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) এর অধীনস্থ বার্ণিঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অসাধু ব্যবসায়ী তিুস্তা নদী হতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সংবাদের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট  বিজিবির সমন্বয়ে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে ১০,০০০ সিএফটি ঢালাই পাথর জব্দ করণ প্রসঙ্গে।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান   বৃহস্পতিবার বিজিবি বার্ণিঘাট বিওপির সীমান্ত পিলার ৭৯৭/৬-এস হতে ৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তেলিয়াপাড়া নামক স্থানে তিস্তা নদী হতে অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করছে এবং জমা করে রাখার হচ্ছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিমলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার তথ্য প্রাপ্ত হন।বিজিবি রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদকের অনুপ্রবেশ ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।সাম্প্রতিকালে তিস্তা নদীতে কিছু কুচক্রি মহল অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়। ফলে নদীর পাড়ে ব্যাপক ভাঙনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে।উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার উল্লেখিত এলাকায় টাস্কফার্স অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেন এবং বিজিবিকে বিষয়টি অবহিত করেন। অধিনায়ক, রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) তাৎক্ষণিক বার্নিঘাট বিওপি ও পার্শ্ববর্তী বিওপি হতে ৩ ী বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইমরানুজ্জামান এর উপস্থিতিতে বিজিবি, পুলিশ এবং আনসার সদস্যের সমন্বয়ে ০১টি টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়।উক্ত অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যাক্ত অবস্থায় (মালিক বিহীন) আনুমানিক ১০,০০০ সিএফটি ঢালাই পাথর জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পাথরগুলো আনুমানিক সিজার মূল্য ১০,০০,০০০/- টাকা। সিজারকৃত পাথরগুলো বর্তমানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে কাস্টমস প্রতিনিধির উপস্থিতিতে নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) এর অধিনায়ক বলেন, বিজিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় জনগণ ও গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতার মাধ্যমে তিস্তা নদী এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এ ধরণের টাস্কফোর্স অপারেশন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।