সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে ব্রিটিশ উন্নয়ন মন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান

 

রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পর্যালোচনায় কক্সবাজার সফর করেছেন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যান। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী ও মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেন।

সকালে কক্সবাজার শহর থেকে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-৭ এর উদ্দেশে রওনা দেন জেনি চ্যাপম্যানের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিশেষ উপদেষ্টা অ্যামেলি গেরিকে, ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, মানবিক সহায়তা দলের প্রধান এলি মুডি এবং উপদেষ্টা মারিনেলা বেবোস-গলশেটি।

ক্যাম্পে পৌঁছে ব্রিটিশ মন্ত্রী ইউনিসেফ ও ফ্রেন্ডশিপের সহায়তায় পরিচালিত একটি লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেখানে রোহিঙ্গা শিশুদের পাঠদানের পরিবেশ, শিক্ষাসামগ্রী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

পরে নারীবান্ধব কেন্দ্র পরিদর্শন করে রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চ্যাপম্যান। নারীরা কীভাবে গৃহস্থালি বাগান, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে স্বনির্ভর হচ্ছেন— সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তিনি।

এরপর তিনি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) পরিচালিত খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতা শোনেন। দুপুরে মধুরছড়া ক্যাম্পে গিয়ে সাবান উৎপাদন ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি ঘুরে দেখেন।

বিকেলে উখিয়া সফর শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয় তার গাড়িবহর। দিনব্যাপী সফরটির সমন্বয় করে রোহিঙ্গা রেসপন্স কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইন্টার-সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি)।

আইএসসিজি জানায়, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় চলমান আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ এবং যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ মানবিক সহযোগিতা নির্ধারণই এ সফরের মূল লক্ষ্য।

এনএনবাংলা/