সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৭৮৮

 

দেশজুড়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিনকে দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন করে ৭৮৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে— ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৬৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৮৬ জন, ঢাকা বিভাগ (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১৩০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগ ১০৮ জন, রাজশাহী বিভাগ ৮৮ জন, বরিশাল বিভাগ ৮৭ জন, খুলনা বিভাগ (সিটির বাইরে) ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগ (সিটির বাইরে) ৫৪ জন, সিলেট বিভাগ (সিটির বাইরে) ৩ জন।

এদিকে গত একদিনে সারাদেশে ৯৭৩ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ৫৭০ জন।

এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ হাজার ৭১২ জন ডেঙ্গু রোগী। ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪৯ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী— ২০২৪ সালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ১,০১,২১৪ জন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে হাসপাতালে ভর্তি ৩,২১,১৭৯ জন, মৃত্যু হয়েছিল ১,৭০৫ জনের।

ডেঙ্গুর প্রকোপ ধারাবাহিকভাবে উচ্চমাত্রায় থাকায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে আবহাওয়া পরিবর্তন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করছেন।

এনএনবাংলা/