সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দুই সন্তানসহ সাবেক মেয়র তাপসের ২১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, তার দুই সন্তান—শেখ ফজলে নাশওয়ান ও শেখ ফজলে নাওয়ার—এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা মোট ২১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে সোমবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। অবরুদ্ধ করা এসব হিসাবের মোট স্থিতি ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৪ হাজার ৭৯৫ টাকা। বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান আবেদনটি করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ ফজলে নূর তাপসের অর্জিত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। তবে তার নিজ নাম, সন্তানদের নাম এবং স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে ২১টি ব্যাংক হিসাব শনাক্ত করা গেছে। এসব অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত না হয়—সেই কারণেই হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে দুদক জানায়।

এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি তাপসের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ২০১৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত নিজের নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৩০৪ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৮ টাকা জমা এবং ২৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকা উত্তোলন করেন। অর্থাৎ মোট ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকার লেনদেন হয়েছে তার হিসাবে।

এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রেও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। তার ব্যাংক হিসাবগুলোতে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৩৬ মার্কিন ডলার জমা এবং ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯১ মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়, যা হিসেবে দাঁড়ায় মোট ৫ কোটি ১৭ লাখ ৫২৭ মার্কিন ডলারের লেনদেন।

এনএনবাংলা/