ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ ঈদ উপলক্ষে বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোর থেকেই সেতুর উত্তর প্রান্তে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায় টোল প্লাজায় দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ বাড়তে দেখা গেছে। তবে আগের বছরের মতো বড় ধরনের যানজট বা ভিড় এবার লক্ষ্য করা যায়নি।
পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক শেখ ইশতিয়াক আহমেদ জানান, সোমবার (১৬ মার্চ) মধ্যরাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল ৯টা পর্যন্ত মাওয়া দিয়ে সেতু পার হয়েছে ১০ হাজার ৩৮০টি যানবাহন। এসময় টোল আদায় হয় ১ কোটি ৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
তিনি জানান, এ প্রান্তে প্রতি মিনিটে ১০টি লেন দিয়ে মোটরসাইকেলসহ ৪৫-৫০টি যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
এবার যাত্রীচাপ মোকাবিলায় আগেভাগেই টোল প্লাজার সব বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি বুথে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং যানবাহনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তাকর্মীও বাড়ানো হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য লেন সংখ্যা এক থেকে বাড়িয়ে তিনটি করা হয়েছে। বড় যানবাহনের জন্য ইটিসি (স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় পদ্ধতি)সহ ৭টি লেন সচল রয়েছে।
পাশাপাশি টোল প্লাজার পাশে যাত্রীদের জন্য টয়লেট ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জ অংশে ৫ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পদ্মা সেতু এলাকায় সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ