সাম্প্রতিক
নিজ কার্যালয়ে মারধরের শিকার আইইডিসিআরের পরিচালক ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থি’: আফগানিস্তানে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করল তালেবান রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লগি-বৈঠা সহিংসতার ২০ বছর: আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আগে যা যা ঘটেছিল বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ১২ জনের সাক্ষ্য ঋণখেলাপির পর ব্যাংক খাতে শুরু হয় ‘লুটপাটের সংস্কৃতি’: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৬৪ হত্যা হুমকির মামলা নিয়ে মুখ খুললেন তানজিন তিশা: ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্তের অভিযোগ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: পুলিশ
Skip to content

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রক্ষা পেল কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের ৩ হাজার গাছ

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে প্রায় তিন হাজার গাছ কাটার আশঙ্কা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা থেকে সরে এসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি গাছও না কেটে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার সম্ভাবনার খবর পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বিকল্প পরিকল্পনার মাধ্যমে গাছ সংরক্ষণ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর প্রকল্প পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনে গাছ না কেটে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু করা হয়।

কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, এ জন্য বিপুলসংখ্যক গাছ কাটা লাগবে। তবে নতুন পরিকল্পনায় সেই প্রয়োজনীয়তা বাতিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে উন্নয়ন প্রকল্পে নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগকে পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এছাড়া শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও আকর্ষণীয় ও পর্যটকবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রাস্তা প্রশস্তকরণ, রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ, রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৬ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনএনবাংলা/