Skip to content

তনু হত্যা মামলা

ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল আরও একজনের তথ্য

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় নতুন করে আরও একজন পুরুষের ডিএনএ শনাক্ত হয়েছে। এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতির তথ্য দিয়েছিল।

রোববার (১৭ মে) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, আগে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর তথ্য পাওয়া গেলেও সম্প্রতি ডিএনএ ল্যাব থেকে আরও একজন পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল শনাক্ত হওয়ার তথ্য এসেছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল মামলার তিন সন্দেহভাজন— সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রসম্যাচের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

আদালতের নির্দেশনার পর গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তাকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পরদিন কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার ফলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও মামলার তদন্ত কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, নতুন একজনের ডিএনএ শনাক্ত হওয়ায় এখন সন্দেহভাজন আরও কয়েকজনের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। তবে সন্দেহের তালিকায় থাকা কয়েকজনের স্থায়ী ঠিকানা শনাক্ত করা গেলেও তাদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছাকাছি একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ