টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর গাজীপুরের শিল্প-কারখানাগুলো ছুটি হলে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এতে সাভারের নবীনগর থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।
সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে থাকে। প্রথমে ধীরগতি থাকলেও পরে তা তীব্র যানজটে রূপ নেয়। সন্ধ্যার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কড্ডা থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
যানজটের কারণে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। উত্তরবঙ্গগামী বাস কাউন্টারগুলোতে যাত্রীর অপেক্ষায় বাস দাঁড়িয়ে থাকা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অবৈধ স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা এবং ছোট যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
অন্যদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, বোর্ডবাজার, চান্দনা চৌরাস্তা ও শ্রীপুরের মাওনা এলাকাতেও দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। বিশেষ করে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় মহাসড়কের একাংশ বাস ও অন্যান্য যানবাহনের দখলে থাকায় লেন সংকুচিত হয়ে পড়ে। এতে কিছুক্ষণ পরপর যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
অনেক যাত্রীকে বাসের পাশাপাশি খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, পরিবহনের সংকট না থাকলেও সুযোগ বুঝে চালক ও সহকারীরা কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, শিল্প-কারখানা ছুটি হওয়ার পর থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে হাইওয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছে এবং যানজট নিরসনে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
এনএনবাংলা/
