সাম্প্রতিক
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা নিউইয়র্কের রেস্তোরাঁয় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আহত ১ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা কারাগারে খলনায়ক ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চাইলো সিআইডি বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার: ভারতের হাইকমিশনার দ. কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমতি দিল সরকার ৯৫ কারখানা বন্ধ, চাকরি হারিয়েছেন ৬১ হাজার ৮৮১ জন: সিপিডি ব্রিটিশ নাগরিকত্বের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বললেন, ‘কার এত জ্বালা’ কলকাতায় ৪৮ ঘণ্টায় বন্ধ হয়ে গেল ২২১ হোটেল, বিপাকে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পর্যটক রাজধানীতে ৫ হাজার ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার
Skip to content

বিপৎসীমার ওপরে ৫ নদীর পানি, ৪ সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত

ছবি: সংগৃহীত

দেশের পাঁচটি নদীর নয়টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনে এখনও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাতামুহুরী নদীর পানি লামা পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার এবং কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।

এ ছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার, মনু নদীর পানি মৌলভীবাজারের মনু রেলসেতু পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর পানি হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে তিস্তা নদীর ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর, সুরমা নদীর কানাইঘাট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ, সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা এবং ছোট ফেনী নদীর কোম্পানীগঞ্জ স্টেশনে পানির স্তর সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের ১২৭টি পানি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৭৯টিতে নদ-নদীর পানির স্তর বেড়েছে। ৪৩টি স্টেশনে পানি কমেছে, আর পাঁচটি স্টেশনে পানির স্তর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের নদ-নদীর পানির গতিপ্রকৃতি এবং সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি উজান ও দেশের অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতার ওপর নির্ভর করবে।

এনএনবাংলা/