Skip to content

Upcoming
Norway
0-0
England
Source: ESPN

‘জুলাই বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে স্বাস্থ্য পরিচালককে বের করে কক্ষে তালা

ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে ‘জুলাই বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তার কার্যালয় থেকে বের করে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রোববার ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ে অবস্থান করার পর চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর নিজেদের জুলাই আন্দোলনের কর্মী পরিচয় দেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।

এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আবারও দপ্তরে আসেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ড্যাবের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিমসহ একদল শিক্ষার্থী তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার দাবি জানান।

প্রথমে পরিচালক কক্ষ ছাড়তে রাজি না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় তর্ক-বিতর্ক চলে। পরে মেডিকেল কলেজ থেকে আরও শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হলে তাদের দাবির মুখে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন কক্ষ ত্যাগ করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা পুনরায় কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।

ড্যাব নেতা ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনেক চিকিৎসকের পদোন্নতি আটকে রাখা হলেও ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন। এখনও একই গোষ্ঠীর লোকজন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আন্দোলনকারী মেডিকেল শিক্ষার্থী জোনায়েদ ইসলাম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন আন্দোলনকারীদের তালিকা করে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দিয়েছিলেন এবং আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দিতেও বাধা দিয়েছিলেন। এমন একজন ব্যক্তি কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান, সেই প্রশ্ন তুলে তাকে অপসারণের দাবি জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং বর্তমানে ড্যাবের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জুলাই আন্দোলনের সময় তৎকালীন পরিচালকের নির্দেশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই তিনি মেনে নেবেন বলে জানান।

এনএনবাংলা/