সাম্প্রতিক
সাজেকে অবরোধ-গুলিবর্ষণ, সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদে ফিরলেন ৩ হাজার পর্যটক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে টোকিও থাকবেন না রাষ্ট্রদূত, ফেরানো হলো ঢাকায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের দেশে সাইবার হামলা নিয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি, এনইআইআর চালু করছে বিটিআরসি কক্সবাজারে সাগরে নেমে নিখোঁজ আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু বেড়ে ৫ দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট আবারও স্থগিত ৪৩০ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার অবিশ্বাস্য জয়, শেষ বলে রেকর্ড সৌদি কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ২০ বাংলাদেশি, শাস্তির তথ্য চাইল বাংলাদেশ
Skip to content

শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম কি পরিবর্তন হচ্ছে, সরকারের পরিকল্পনা কী?

ফাইল ছবি

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম পুনর্বহালের বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা থাকলেও আপাতত এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, সরকার দলীয় বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ব্যয় সাশ্রয়ের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন হওয়ায় এ ধরনের উদ্যোগে সম্মতি দেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছিল। তার দাবি, জিয়াউর রহমানের নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামকরণ করতে গিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। বর্তমানে আবার নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হলে সম্ভাব্য ব্যয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এ কারণে নাম পরিবর্তনের রাজনীতিতে না গিয়ে বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। দুটি রানওয়ে চালু হলে প্রতিদিন আরও বেশি সংখ্যক ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব হবে এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে, দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আসন্ন বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নতুন টার্মিনাল উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারের মতে, নাম পরিবর্তনের পরিবর্তে বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং আধুনিক সেবা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

এনএনবাংলা/