Skip to content

ডিমলা খাদ্য গুদামের দুই কর্মকর্তার অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্য তদন্তে কমিটি গঠন

নীলফামারীর ডিমলা সরকারি খাদ্য গুদামের খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুনুর রশিদ ও ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা(ওসিএলএসডি)নবাবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্যের সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে জেলার জলঢাকা সরকারি খাদ্য গুদামের খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোলাম মোস্তফাকে প্রধান করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অধিনস্থ জেলার সকল সরকারি খাদ্য গুদামের টিআই (খাদ্য পরিদর্শক)শাহেদ আলম।তবে এই তদন্ত কমিটিকে কত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে ও কি-কি বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে সে বিষয়ে বলতে নারাজ কমিটি প্রধান।এর আগে গত ১৯ মে “দুই কর্মকর্তার লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যে ক্ষতি দেড় কোটির বেশি”কেঁচো খুড়তে বেরিয়ে এল সাপ!আখের গোছাতে দুই কর্মকর্তার লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যে সরকারের ক্ষতি দেড় কোটিরও অধিক”শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও গত ২২ থেকে ২৩ মে টিসিবির ডিলারদের দিয়ে পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত চাল বিক্রির অভিযোগ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আতিকুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।এমনকি খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনো সারা মেলেনি।তবে তদন্ত কমিটির প্রধান গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আমাদের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।প্রয়োজনে আমরা আরো সময় বাড়িয়ে নিব।আমারতো আরো অন্য কাজ আছে।কবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, কি-কি বিষয়ে তদন্ত করতে ও কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কৌশলে তা এড়িয়ে বলেন,কমিটির কাগজটি এই মুহুর্তে আমার কাছে নেই!এ সময় তদন্ত কমিটির একটি কপি চাইলে তিনি তাও দিতে অস্বীকৃতি জানান।